পশ্চিমবঙ্গ নামেই সিলমোহর, ‘বাংলার বাড়ি’ এবার ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বড় ঘোষণা

রাজ্যের নাম ‘পশ্চিমবঙ্গ’ই পুনর্বহাল থাকছে বলে স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে সরকারি প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’র নাম বদলে করা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’। দেশভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান স্মরণ করে মন্ত্রিসভায় এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক বাংলা, ঘোষণা বিধানসভায়

১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত প্রশাসনিক ও সরকারি কাজে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। বিধানসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনে এই বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
১০ জুলাইয়ের মধ্যে খুলতে পারে ১৮টি বন্ধ জুটমিল, কাজে ফিরবেন সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক: বড় ঘোষণা শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের

রাজ্যের ১৮টি বন্ধ জুটমিল আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে চালুর লক্ষ্যে তৎপর শ্রম দপ্তর। ইতিমধ্যেই একাধিক ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে মিলেছে ঐকমত্য। তিনটি জুটমিল খুললেই কাজে ফিরতে পারবেন প্রায় সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক।
বাংলার তিন সুগন্ধি চালকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রাষ্ট্রপুঞ্জের, ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পও সম্মানিত: আপ্লুত মমতা

রাষ্ট্রপুঞ্জের FAO বাংলার তিন সুগন্ধি চাল—গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি ও কনকচূড়—এবং ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে। গর্ব প্রকাশ করে কৃষকদের উৎসর্গ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শীতের সাময়িক বিদায়: রাজ্যের আবহাওয়ার নতুন মোড়

ভরা শীতের মরসুমে সাময়িক গরমের আমেজ
রাজ্যে শীতের প্রভাব কিছুটা কমেছে। আজ, শনিবার থেকে সোমবারের মধ্যে উপকূলবর্তী চারটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। ফলে শীতের আমেজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। তাপমাত্রাও বেশ কিছুটা বেড়েছে। তবে ৬ ডিসেম্বর থেকে পারদ আবার কমবে। ৯ ডিসেম্বরের পর পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা।
ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’-এর আগমন
শেষ ছয় ঘণ্টায় শক্তি বৃদ্ধি করে গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘ফেনজল’। আজ দুপুর ১২টা থেকে ২টার মধ্যে এটি পুদুচেরি উপকূলে ল্যান্ডফল করবে। ঘূর্ণিঝড়টির গতি ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার হতে পারে। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, শ্রীলঙ্কা, অন্ধ্রপ্রদেশ, এবং তামিলনাড়ুর উপকূলে মাছ
‘ডানা’র তাণ্ডব: স্থলভাগে প্রবেশ করছে ঘূর্ণিঝড়, উপকূলে ১২০ কিমি বেগে ঝড়

২৫ অক্টোবর ২০২৪ঃ ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’ ইতিমধ্যে স্থলভাগে আছড়ে পড়া শুরু করেছে। ‘প্রবল’ শক্তিতেই তার স্থলভাগ অতিক্রমণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব প্রথমবার অনুভূত হয়। ওড়িশার ভিতরকণিকা এবং ধামারার মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে এই ঝড়ের সামনের অংশ স্থলভাগে প্রবেশ করছে। এই সময় ঝড়ের গতিবেগ ১০০ থেকে ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছেছে, এবং সর্বোচ্চ গতি ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে বলে অনুমান। সম্পূর্ণ স্থলভাগ অতিক্রম করতে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে প্রবেশের পর ওড়িশায় ঝড়ের
ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র শক্তি বৃদ্ধি, মধ্যরাতে বেগ বাড়তে পারে ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

২৪ অক্টোবর ২০২৪: ধীরে ধীরে সমুদ্রের ওপর দিয়ে স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের রাত ১০টার বুলেটিন অনুযায়ী, গত ছ’ঘণ্টায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা থেকে ঘূর্ণিঝড়টি কতটা দূরে রয়েছে, তাও জানানো হয়েছে বুলেটিনে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার মধ্যরাতে ‘দানা’ ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়’-এ রূপান্তরিত হতে পারে। সেই সময় সমুদ্রের ওপর ঝোড়ো বাতাসের গতি পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটারে।
আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের সংলগ্ন এলাকায় উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে চলেছে ‘দানা’। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি সাগরদ্বীপ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে অবস্থান করছে। ওড়িশার ধামারা থেকে এটি ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে এবং
ঝড়-বৃষ্টির দুর্যোগ এখনই শেষ নয়, ভোগান্তির মুখে কোন কোন জেলা

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে অতিক্রম করছে। কলকাতার নিকটবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে এই নিম্নচাপ, যা আজ রাতেই কলকাতা পেরিয়ে পশ্চিমের জেলাগুলির দিকে অগ্রসর হবে। নিম্নচাপটি পশ্চিমের ঝাড়খণ্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঝাড়খণ্ড ও উত্তর ছত্রিশগড় এলাকায় গিয়ে এটি শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।
নিম্নচাপের কারণে উত্তাল থাকবে উত্তর বঙ্গোপসাগর। বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। রবিবার সকাল পর্যন্ত আবহাওয়া দপ্তর সমুদ্রে মাছ ধরতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলাগুলিতে ৩০-৫০ কিলোমিটার গতিবেগে
মুখ্যমন্ত্রীর আচমকা আগমন: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে সমবেদনা জানালেন মমতা

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেকের স্বাস্থ্য ভবনে আচমকা উপস্থিত হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের প্রতিবাদে তাঁরা সেখানে ধর্নায় বসেছেন। মমতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।
মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছানোর পর ধর্নাস্থলে বিচারের দাবিতে স্লোগান ওঠে। বেশ কিছুক্ষণ মাইক হাতে দাঁড়িয়ে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য শুরু করতে পারলেন না। ধর্নাস্থলে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী সকলের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছিলেন যেন তাঁকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেও আমি এখানে এসেছি। আপনারা যে আন্দোলন করছেন, তার জন্য আমি আপনাদের সম্মান জানাচ্ছি। ছাত্র আন্দোলন থেকে আমি উঠে এসেছি। গতকাল
‘ন্যায় চাই’ স্লোগান ধ্বনিত, অব্যাহত কর্মবিরতি

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪: সারা রাত চলেছে প্রতিবাদ-আন্দোলনের ঢেউ। পরের দিন ভোরে, ক্লান্তির লেশমাত্র না রেখে নতুন উদ্যমে আন্দোলন শুরু হলো।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলন মঞ্চে প্রজেক্টর ও পর্দার আয়োজন ছিল। এক তরুণী চিকিৎসক-ছাত্রীর প্রতীকী ছবিতে মালা দিয়ে বেদীটি সাজানো হয়েছিল, এবং মোমবাতি প্রজ্বলিত করে শ্রদ্ধা নিবেদন চলছিল। আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের মাঝে একটা ‘বিশ্বাস’-এর ছাপ স্পষ্ট ছিল। তবে, সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তাদের মনোবলে চিড় ধরালো, যা তারা এক মাস ধরে লালন করছিল।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় রাজ্য সরকার পদক্ষেপ নিলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না।
