একুশে পা | ১২ আগস্ট ২০২৬
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষণ-খুনের মতো ঘটনা রুখতে আধ্যাত্মিক জাগরণের প্রয়োজন। মানুষকে গীতা পড়ানো এবং ‘পাপবোধ’ জাগিয়ে তোলার কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার আদ্যাপীঠে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেন তিনি।
শুভেন্দুর বক্তব্য, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চেতনা মানুষের মধ্যে সংযম এবং ভালো-মন্দের বোধ তৈরি করতে পারে। সেই প্রসঙ্গেই আরজি করের মতো ঘটনার উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “হুঁশযুক্ত মানুষ হতে গেলে ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের দরকার রয়েছে। তা হলে পাপবোধ থাকবে। খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন। আরজি করের মতো ঘটনা থেকে যদি কাউকে বিরত রাখতে হয়, তা হলে তাঁকে গীতা পড়াতে হবে। তাঁর আধ্যাত্মিক জাগরণ ঘটাতে হবে।”
গেরুয়া রং নিয়েও বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, গেরুয়া কোনও রাজনৈতিক দলের রং নয়। বরং এই রং শৌর্য, ত্যাগ, কৃচ্ছ্রসাধন এবং সংযমের প্রতীক।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গেরুয়া কোনও রাজনীতির রং নয়। এই রং শৌর্যের রং। ত্যাগের রং। এই রং কৃচ্ছ্রসাধনের রং। এই রং সংযমব্রতের রং।”
পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, বহু মনীষী এই বাংলায় জন্মেছেন এবং তাঁদের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জাগরণের বার্তা ছড়িয়েছে।
শুধু ধর্মীয় আচরণ নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানকে আরও উন্নত করার উপরও জোর দেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “শুধু কপালে চন্দন চর্চিত করলেই হবে না। এই সব প্রতিষ্ঠানকে আরও সুন্দর করে তোলার ব্যবস্থাও করতে হবে।”
আদ্যাপীঠের উন্নয়ন নিয়েও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি আর্থিক সমস্যার মধ্যে চলছে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দেন তিনি।
শুভেন্দু বলেন, “কথা কম বলা উচিত। কাজ বেশি করা উচিত।”







