১৪৩৩-এর ভোরে নতুন সাজে বাংলা: ইলিশ-পাঁঠায় রসনাতৃপ্তি, মোদি-মমতার শুভেচ্ছা

১৪৩৩-এর ভোরে নতুন সাজে বাংলা: ইলিশ-পাঁঠায় রসনাতৃপ্তি, মোদি-মমতার শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদন, কলকাতা: জীর্ণ পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে ভোরের নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় এল নববর্ষ ১৪৩৩। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের শ্রেষ্ঠ উৎসব ‘পহেলা বৈশাখ’-এর আমেজে আজ মাতোয়ারা গোটা রাজ্য। নতুন সংকল্প আর আগামীকে সুন্দর করার অঙ্গীকার নিয়ে নতুন পোশাকে আজ রঙিন রাজপথ থেকে গ্রামবাংলার অলিগলি।

পাঞ্জাবি-শাড়ির জেল্লা ও খাবারের বৈচিত্র্য শহর থেকে শহরতলি, সকাল থেকেই বাঙালির পরনে নতুন জামাকাপড়। একদিকে হালখাতার পুজো আর অন্যদিকে ভূরিভোজ—দুই মিলিয়েই উৎসবের পূর্ণতা। আজকের দিন মানেই বাঙালির পাতে জিভে জল আনা পদ। দুপুরের মেনুতে একদিকে যেমন রয়েছে কচি পাঁঠার ঝোল, তেমনই পাল্লা দিচ্ছে সরষে ইলিশ ও চিংড়ির মালাইকারি। মিষ্টির দোকানগুলোতেও ভিড় উপচে পড়ছে সকাল থেকে।

রাজনৈতিক সৌজন্য ও শুভেচ্ছা বার্তা বাংলার এই বিশেষ দিনে দেশ ও রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতৃত্ব শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গবাসীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স-হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) লেখেন:

“আঁধার ঘুচিয়ে দাও নতুন ভোরে, নতুন বছর এসো মিষ্টি করে। সকলকে জানাই শুভ নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”

মুখ্যমন্ত্রীর সুরেলা উপহার এবারের নববর্ষে বঙ্গবাসীর জন্য বিশেষ প্রাপ্তি মুখ্যমন্ত্রীর নিজের লেখা ও সুর করা একটি গান। শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে গাওয়া এই গানটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে বিপুল সাড়া ফেলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুন বছরের আনন্দকে আরও সমৃদ্ধ করতেই তাঁর এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

সব মিলিয়ে হালখাতা, আড্ডা আর বাঙালি খাবারের গন্ধে শহর জুড়ে এখন শুধুই উৎসবের মেজাজ।

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
আরও পড়ুন
error: Content is protected !!