দৃষ্টিনন্দন, মন ছুঁয়ে গেল, কলকাতায় হল ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’-র প্রদর্শনী
৮ অক্টোবর ২০২৫ | কলকাতা সংবাদদাতা
কলকাতার এক নামী প্রেক্ষাগৃহে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত হলো বহু প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’-এর বিশেষ প্রদর্শনী। প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত ছিলেন বিপুল সংখ্যক সিনেমাপ্রেমী দর্শক, যাঁরা ছবিটির আধ্যাত্মিক পরিবেশ ও চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ হয়ে পড়েন।
ঋষভ শেট্টি পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০২২ সালের ব্লকবাস্টার ‘কান্তারা’-এর প্রিক্যুয়েল, যা গোটা ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে সাংস্কৃতিক আলোড়ন তুলেছিল। এবারও পরিচালক তুলে ধরেছেন সেই লোককথা ও পুরাণের মিশেলে নির্মিত রহস্যময় জগতের উৎস।
পুরাণ, আবেগ ও ভিজ্যুয়ালের মেলবন্ধন
‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’ শুরু থেকেই দর্শককে টেনে নিয়ে যায় এক মায়াময় জগতে। সিনেমাটির সিনেমাটোগ্রাফি, তীব্র ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর এবং ঋষভ শেট্টির অসাধারণ পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে দর্শক পেয়েছেন এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
সমালোচকদের মতে, গল্পের গতি প্রথমে ধীর হলেও দ্বিতীয়ার্ধে এটি এক শক্তিশালী আবেগিক বিস্ফোরণ ঘটায়, যা শেষপর্যন্ত স্মরণীয় ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছায়।

‘কান্তারা’ ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা
প্রথম ‘কান্তারা’ সিনেমাটি যেমন সমালোচনামূলক এবং বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য পেয়েছিল, তেমনই এই প্রিক্যুয়েলও সেই ঐতিহ্য বজায় রেখেছে।
২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম পর্বটি ৪০০ কোটিরও বেশি আয় করে এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একাধিক বিভাগে সাফল্য পায়।
উপকূলীয় কর্ণাটকের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও গ্রামীণ বিশ্বাসের চিত্রায়ণ দর্শকদের হৃদয়ে দাগ কেটেছিল, আর এই নতুন অধ্যায় সেই আবেগকেই আরও গভীর করেছে।
দর্শকের প্রতিক্রিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রশংসা
কলকাতার তরুণ প্রজন্ম সিনেমাটির প্রদর্শনীতে ভিড় জমিয়ে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে অংশ নেয়। প্রদর্শনীর পর সোশ্যাল মিডিয়া ভরে যায় প্রশংসার ঢেউয়ে।
দর্শকদের মতে,
“এই ছবিটি শুধু দেখা নয়, অনুভব করার মতো একটি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।”
আরও অনেকে লিখেছেন,
“‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’ মানে হলো ভিজ্যুয়াল ম্যাজিক আর অন্তরের কম্পন।”
শেষকথা
ঋষভ শেট্টির এই সৃষ্টি প্রমাণ করে, ভারতীয় সিনেমা এখন শুধুমাত্র বিনোদনের নয়—এটি এক গভীর সাংস্কৃতিক সংলাপ।
‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’ নিঃসন্দেহে এমন এক চলচ্চিত্র যা দর্শককে মুগ্ধ, ভাবিত ও আলোড়িত করবে।






