পূজা আসতে আর

Days
Hours
Minutes
Seconds

বাকি।

প্রেম যখন বেপরোয়া, তখন সাবধানতার জায়গা কোথায়? প্রকাশ্যে আদৃত-আরিয়ার ‘বেপরোয়া’র ট্রেলার

প্রেমের শুরুটা অনেক সময় হয় নিঃশব্দে। কিন্তু একবার সেই অনুভূতি গভীর হলে যুক্তি, হিসেব কিংবা সাবধানতার দেওয়াল ভেঙে যেতে খুব বেশি সময় লাগে না। ভালোবাসার সেই তীব্রতা, আবেগ এবং অনিশ্চয়তাকেই বড় পর্দায় তুলে ধরতে আসছে নতুন বাংলা ছবি ‘বেপরোয়া’

ছবির ট্রেলারে একসঙ্গে দেখা গেল অভিনেতা আদৃত রায় এবং ডেবিউট্যান্ট আরিয়া রায়কে। নতুন প্রজন্মের প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ছবির পরিচালনায় রয়েছেন অভিরূপ ঘোষ। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই ছবির গল্প এবং নতুন জুটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে দর্শকের কৌতূহল।

‘বেপরোয়া’ শুধুমাত্র একটি প্রেমের গল্প নয়, বরং ভালোবাসার সেই দিকটি তুলে ধরতে চায় যেখানে আবেগ ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণের জায়গা দখল করে নেয়। প্রেম তখন হয়ে ওঠে তীব্র, ঝুঁকিপূর্ণ এবং একইসঙ্গে অনিশ্চিত।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। মুক্তির আগে ট্রেলার থেকেই স্পষ্ট, প্রেমের পাশাপাশি সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সংঘাতও গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে।


আদৃত রায় ও আরিয়া রায়ের নতুন জুটি, ‘বেপরোয়া’য় প্রেমের অন্য সমীকরণ

বাংলা বিনোদন জগতে নতুন জুটি মানেই দর্শকের বাড়তি আগ্রহ। ‘বেপরোয়া’র ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। আদৃত রায়ের পরিচিত মুখের সঙ্গে ডেবিউট্যান্ট আরিয়া রায়ের জুটি ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

ট্রেলারে তাঁদের চরিত্রের সম্পর্কের মধ্যে যেমন রয়েছে টান, তেমনই রয়েছে আবেগের তীব্রতা। প্রেম এখানে শুধুমাত্র কয়েকটি রোম্যান্টিক মুহূর্তের মধ্যে আটকে নেই। বরং সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে সিদ্ধান্ত, সংঘাত এবং পরিস্থিতির অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন।

আরিয়া রায়ের কাছে ‘বেপরোয়া’ বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। অন্যদিকে আদৃত রায়কে এবার এমন এক রোম্যান্টিক গল্পে দেখা যাবে, যেখানে চরিত্রটির আবেগ এবং সম্পর্কের দিকটি বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে।

পরিচালক অভিরূপ ঘোষের হাত ধরে ছবিটি যে প্রচলিত প্রেমের গল্পের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করছে, ট্রেলারেই তার আভাস রয়েছে। গল্পের আবেগকে সামনে রেখেই তৈরি হয়েছে ছবির চরিত্র ও সম্পর্কের জটিলতা।


প্রেম, আবেগ আর অনিশ্চয়তা—কী বলছে ‘বেপরোয়া’র ট্রেলার?

‘বেপরোয়া’র গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ভালোবাসা। তবে সেই ভালোবাসা যতটা আবেগপূর্ণ, ততটাই অনিয়ন্ত্রিত। ট্রেলার দেখলে বোঝা যায়, সম্পর্কের এক পর্যায়ে এসে চরিত্ররা এমন কিছু সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হয়, যার পরিণতি সহজ নয়।

প্রথম প্রেমের উত্তেজনা থেকে সম্পর্কের গভীরে প্রবেশ—গল্পটি এগোতে এগোতে আবেগের রংও বদলাতে থাকে। ভালোবাসার সঙ্গে যুক্ত হয় অভিমান, প্রত্যাশা, হারানোর আশঙ্কা এবং সংঘাত।

এই জায়গাতেই ‘বেপরোয়া’কে শুধুমাত্র একটি সাধারণ রোম্যান্টিক ছবি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ছবির নামের মধ্যেই রয়েছে তার গল্পের ইঙ্গিত। যখন ভালোবাসা সমস্ত সাবধানতাকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যায়, তখন সেই সম্পর্ক কতটা অপ্রত্যাশিত হয়ে উঠতে পারে—সেই প্রশ্নই ছবির কেন্দ্রে।

ছবির সঙ্গীতও গল্পের আবেগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে রোম্যান্সের পাশাপাশি ছবির গানও দর্শকের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।


১৭ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে, কতটা ‘বেপরোয়া’ হবে এই প্রেমের গল্প?

বাংলা ছবির দর্শকদের জন্য নতুন প্রেমের গল্প নিয়ে আসছে ‘বেপরোয়া’। তবে ছবিটির আসল পরীক্ষা হবে প্রেক্ষাগৃহে। ট্রেলার দর্শকের মধ্যে যে কৌতূহল তৈরি করেছে, মুক্তির পর সেই প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয়, সেটাই এখন দেখার।

বিশেষ করে আদৃত রায় ও আরিয়া রায়ের পর্দার রসায়ন কতটা দর্শকের মন ছুঁতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। একইসঙ্গে অভিরূপ ঘোষ কীভাবে প্রেম, আবেগ এবং সংঘাতকে একসঙ্গে পর্দায় তুলে ধরেছেন, সেটিও ছবির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বর্তমান সময়ে বাংলা সিনেমায় প্রেমের গল্পের ধরনও বদলাচ্ছে। সম্পর্কের শুধুমাত্র রোম্যান্টিক দিক নয়, তার মানসিক টানাপোড়েন এবং অন্ধকার দিকও গল্পে জায়গা করে নিচ্ছে। ‘বেপরোয়া’ সেই পরিবর্তিত ধারার সঙ্গে কতটা সফলভাবে তাল মেলাতে পারে, তার উত্তর মিলবে ১৭ সেপ্টেম্বর।

সব মিলিয়ে, ‘বেপরোয়া’র ট্রেলার একটি প্রশ্নই সামনে রাখছে—ভালোবাসার টানে যখন মানুষ সমস্ত সাবধানতা ভুলে যায়, তখন সেই প্রেম কোথায় গিয়ে থামে? উত্তর পেতে অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক দিনের।

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
আরও পড়ুন
error: Content is protected !!