এক বছর সোনা কেনায় ‘না’ মোদির, জ্বালানি বাঁচাতেও কড়া বার্তা! নেপথ্যে কী কারণ?

এক বছর সোনা কেনায় ‘না’ মোদির, জ্বালানি বাঁচাতেও কড়া বার্তা! নেপথ্যে কী কারণ?

নিজস্ব প্রতিবেদন, নয়াদিল্লি: বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় ঘনীভূত হচ্ছে জ্বালানি সংকট। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি সামাল দিতে দেশবাসীকে কড়া পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার তেলেঙ্গানার এক সভা থেকে আমজনতাকে আগামী এক বছর সোনা কেনা থেকে বিরত থাকতে এবং জ্বালানি ব্যবহারে আরও সংযমী হওয়ার আবেদন জানান তিনি।

সোনা কিনতে বারণ কেন? জ্বালানির সাশ্রয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ স্বাভাবিক মনে হলেও, সোনা কেনায় নিষেধাজ্ঞার আবেদন কার্যত নজিরবিহীন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে ‘আমদানি ব্যয়’ কমানোর অঙ্ক।

  • ডলারের সাশ্রয়: ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম স্বর্ণ আমদানিকারক দেশ। সোনা আমদানিতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার) খরচ হয়।
  • টাকার পতন রোধ: জ্বালানি ও সোনার আমদানিতে যত বেশি ডলার খরচ হবে, আন্তর্জাতিক বাজারে টাকার দাম তত কমবে। ভারতীয় মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সোনা কেনার চাহিদা কমাতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী।
  • বিকল্প বিনিয়োগ: বিয়ের মরশুম বাদ দিয়ে সাধারণ সময়ে সোনা কেনায় রাশ টানলে সেই অর্থ অর্থনীতির অন্য খাতে সঞ্চালিত হতে পারে।

জ্বালানি সংকট নিয়ে সতর্কতা: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, পেট্রোল-ডিজেল সাশ্রয় করা এখন প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার সুরক্ষিত রাখতেই আমদানিনির্ভর পণ্যের ব্যবহারে রাশ টানতে চাইছে কেন্দ্র।

বিষয়বর্তমান পরিস্থিতিমোদির বার্তা
সোনাআমদানিতে বিপুল ডলার ব্যয়অন্তত এক বছর কেনা বন্ধের আবেদন
জ্বালানিব্যারেল প্রতি দাম $১২৬ ছুঁইছুঁইব্যবহারে চরম সংযম ও সাশ্রয়
লক্ষ্যটাকার পতন রোধবৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষা
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
আরও পড়ুন
error: Content is protected !!