বাংলাদেশে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর তার স্পষ্ট কম্পন কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ডের কাঁপুনিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উঁচু ভবনের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি দুলুনি টের পান, অনেকে আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও প্রাথমিক তথ্য
ভূকম্পবিদদের মতে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায়। যদিও মাত্রা মাঝারি, তার তরঙ্গ ভারতের পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ভবন হালকা দুলতে দেখা গেছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

কলকাতা ও আশপাশে কম্পনের অভিজ্ঞতা
কলকাতা, হাওড়া, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা—সব জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।
বহু নাগরিক জানিয়েছেন—
- দরজা-জানালা কেঁপে ওঠে
- কম্পিউটার মনিটর নড়তে থাকে
- অফিসে কর্মীরা ভবন থেকে বেরিয়ে আসে
- আবাসনগুলিতে আতঙ্কে লোকজন সিঁড়ির দিকে দৌড়ায়
দমকল ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর জানিয়েছে—এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই, তবে পর্যবেক্ষণ চালু রয়েছে।

ভূ-বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: অঞ্চলটি ঝুঁকিপূর্ণ
বাংলাদেশ এবং পূর্ব ভারত পুরোপুরি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল বলেই বিশেষজ্ঞদের মত। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পটি বড় ক্ষতি না করলেও ভবিষ্যতের ঝুঁকি থাকছেই। তাই সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের করণীয়—
- ভূমিকম্প হলে লিফট নয়, সিঁড়ি ব্যবহার করুন
- জানালার কাছ থেকে সরে যান
- শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন
- আতঙ্কে ছুটোছুটি না করে সঠিক তথ্য অনুসরণ করুন

বাংলাদেশে হওয়া এই ভূমিকম্প আবার মনে করিয়ে দিল যে দক্ষিণবঙ্গ ভূমিকম্পের ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়। তাই প্রতিটি নাগরিকের প্রয়োজন সচেতনতা, প্রস্তুতি এবং সঠিক তথ্য জানা।
👉 আপনি কি কম্পন অনুভব করেছেন? নিচে কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা জানান।
এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন যাতে আরও অনেকে সতর্ক থাকতে পারেন।






