মিয়ামি: মাঠ ও গ্যালারি—উভয় ক্ষেত্রেই সমস্ত প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। টুর্নামেন্টের প্রথম আটটি ম্যাচের আবহ, স্টেডিয়ামের উপচে পড়া ভিড় এবং মাঠের হাই-ভোল্টেজ লড়াই দেখে উচ্ছ্বসিত ফিফা প্রেসিডেন্ট জান্নি ইনফান্তিনো (Gianni Infantino)। তিন আয়োজক দেশ—আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোর পাঁচটি স্টেডিয়ামে নিজে উপস্থিত থেকে ম্যাচ দেখার পর মিয়ামিতে আয়োজিত ‘ফিফা এক্সিকিউটিভ ফুটবল সামিট ২০২৬’-এর মঞ্চে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ইনফান্তিনো জানান, ইতিহাসে এই প্রথম ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত বিশ্বকাপ নিয়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য। প্রথম আটটি ম্যাচেই গ্যালারিতে গড় দর্শক সংখ্যা ছিল প্রায় ৬৩,০০০-এর বেশি। ফুটবল যে বিশ্বজুড়ে কতটা প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে, তা প্রমাণ করেছে সান ফ্রান্সিসকোয় সুইজারল্যান্ড বনাম কাতারের ১-১ ড্র-এর ম্যাচটি। কোনো আয়োজক দেশ না থাকা সত্ত্বেও সেই ম্যাচে স্টেডিয়ামে ৬৮,০০০ দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
তাছাড়া, মাঠের সময় নষ্ট কমানো এবং ফুটবলকে আরও আকর্ষণীয় করতে যে নতুন নিয়মগুলো আনা হয়েছে—যেমন চোট পেয়ে খেলোয়াড়দের মাঠে শুয়ে না থাকা বা দ্রুত মাঠ ছেড়ে সাবস্টিটিউট হওয়া—তা খেলাটির গতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন ফিফা প্রধান।






