নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরজুড়ে হঠাৎই রণংদেহি মেজাজে পুলিশ। বড়বাজার থেকে বালিগঞ্জ, শিয়ালদহ থেকে হাজরা— শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বসেছে ‘নাকা চেকপোস্ট’। শুধু কনস্টেবল বা সিভিক ভলান্টিয়ার নয়, খোদ ডিসি (DC) ও জয়েন্ট সিপি (Joint CP) পদমর্যাদার দুঁদে অফিসারেরা মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে তদারকি করছেন তল্লাশি অভিযানের। আচমকা পুলিশের এই অতি-সক্রিয়তায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বড় কোনো নাশকতার ছক বানচাল করতে চাইছে লালবাজার? নাকি নেপথ্যে রয়েছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কড়া বিধিনিষেধ?
কেন এই হঠাৎ তৎপরতা?
লালবাজার সূত্রে খবর, ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শহরকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। গত কয়েকদিনে নাকা চেকিংয়ে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা এবং প্রচুর বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র। শনিবার রাত ১০টা থেকে ভোররাত পর্যন্ত খোদ পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে জয়েন্ট সিপি এবং ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রাস্তায় নেমেছেন। প্রতিটি সন্দেহভাজন গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে। এমনকি রুশ উপদূতাবাসের গাড়ি ঘিরেও তল্লাশির চেষ্টার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে শহরের বুকে।
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তিলোত্তমা:
শহরের প্রবেশপথগুলোতে কড়া সিসিটিভি নজরদারির পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, “ভোটের আগে অশান্তি রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। রাতের শহরে বহিরাগতদের প্রবেশ আটকাতেই এই নাকা তল্লাশি।”
Quick Info Table
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| অভিযান | হাই-প্রোফাইল নাকা চেকিং ও তল্লাশি |
| স্থান | কলকাতা ও শহরতলি (বিশেষত এন্ট্রি পয়েন্ট) |
| নেতৃত্বে | ডিসি (DC) ও জয়েন্ট সিপি (Joint CP) পদমর্যাদার কর্তারা |
| কারণ | ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা |
| বাজেয়াপ্ত | বেআইনি টাকা, আগ্নেয়াস্ত্র ও নিষিদ্ধ মাদক |






