নয়াদিল্লি:
লাতিন আমেরিকায় বড়সড় ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা। ভোররাতে ভেনিজুয়েলায় একাধিক বিস্ফোরণের পর আমেরিকার তরফে বিস্ফোরক দাবি—ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট Nicolas Maduro ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই অভিযানের কথা স্বীকার করেছে আমেরিকা।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট Donald Trump সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেন, ভেনিজুয়েলায় “অত্যন্ত সফল” সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন আইন বিভাগের সহায়তায় মাদুরোকে আটক করে ভেনিজুয়েলার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিচার হবে United States-এ।
কারাকাসে ভোররাতের বিস্ফোরণ
শনিবার ভোররাতে ভেনিজুয়েলার রাজধানী Caracas-এ পরপর অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের খবর মেলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আকাশে ঝাঁক ঝাঁক যুদ্ধবিমান ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় এবং সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়। এই হামলার পরই মাদুরো বন্দি হওয়ার দাবি সামনে আসে।

ভেনিজুয়েলার পাল্টা দাবি
ভেনিজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলচি রডরিগেজ জানান, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের জীবিত থাকার প্রমাণ পেশ করতে আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, মার্কিন হামলায় সামরিক আধিকারিক ও সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যু হয়েছে।
আমেরিকার অবস্থান
মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানান, মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদকচক্র পরিচালনার অভিযোগে আমেরিকায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ভেনিজুয়েলা থেকে বেআইনি মাদক ও অভিবাসন প্রবাহ বন্ধ করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ।
পটভূমি
১৯৮৯ সালে পানামায় সামরিক হস্তক্ষেপের পর এই প্রথম লাতিন আমেরিকার কোনও দেশে সরাসরি এত বড় অভিযানের দাবি করল আমেরিকা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভেনিজুয়েলার তেল ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করা, সমুদ্রে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ এবং CIA-কে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার মধ্য দিয়েই উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল।






