মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্দেশে ফের যুদ্ধজল্পনা তুঙ্গে। ভেনেজুয়েলা এবং তার আশপাশের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন—“সমস্ত এয়ারলাইন্স, পাইলট, মাদক পাচারকারী ও মানব পাচারকারীরা সতর্ক থাকুন। ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা এখন সম্পূর্ণ বন্ধ।”
এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কি ভেনেজুয়েলায় সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা? ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট কোনও ব্যাখ্যা না মিললেও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের সঙ্গে ভেনেজুয়েলা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর রাজনৈতিক সংঘাত চরমে। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে সাতটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, একটি পারমাণবিক সাবমেরিন এবং প্রায় ৪,৫০০ সেনা মোতায়েন রয়েছে। মাদুরোর অভিযোগ, “আমেরিকা মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে সরকার বদলের চেষ্টা করছে।”
পাল্টা ট্রাম্প সরকার তাঁকে মাদক পাচারকারী বলে দাবি করে গ্রেপ্তারির জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন নৌযানে মার্কিন বাহিনীর হামলায় ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি। যদিও মাদকবাহী জাহাজের কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও।
এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় বাড়ছে উত্তেজনা। বিশেষজ্ঞদের মতে—এটি ভেনেজুয়েলা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কূটনৈতিক কৌশল, তবে পরিস্থিতি দ্রুত সামরিক সংঘাতে গড়াতে পারে।






