পূজা আসতে আর

Days
Hours
Minutes
Seconds

বাকি।

পুজোর আমেজে শুরু হল বেঙ্গল শপিং ফেস্টিভ্যাল: মিলবে তাঁতের শাড়ি থেকে মিষ্টির সম্ভার

পুজোর আমেজে শুরু হল বেঙ্গল শপিং ফেস্টিভ্যাল: মিলবে তাঁতের শাড়ি থেকে মিষ্টির সম্ভার

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪: পুজোর প্রস্তুতি শুরু হতেই শুরু হয়ে গেল বেঙ্গল শপিং ফেস্টিভ্যাল। শুক্রবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই শপিং মেলা চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলার দরজা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অর্থ উপদেষ্টা অমিত মিত্র।

মেলায় কী কী পাওয়া যাবে

এই শপিং ফেস্টিভ্যালে আপনি পাবেন পোশাক, গয়না, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, চামড়ার পণ্য সহ নানা ধরনের সামগ্রী। বাংলার হস্তশিল্প, ফ্যাশন ফেব্রিক, চাল, মধু, মিষ্টি সহ আরও অনেক

কলকাতায় পুজোর কেনাকাটায় উৎসবের আমেজ—আজ ও কাল ব্যাপক বিক্রির প্রত্যাশা

কলকাতায় পুজোর কেনাকাটায় উৎসবের আমেজ—আজ ও কাল ব্যাপক বিক্রির প্রত্যাশা

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর কেনাকাটার রেশ শুক্রবার আরও একধাপ এগিয়ে গেল। বড়বাজার থেকে হাতিবাগান কিংবা গড়িয়াহাট থেকে ধর্মতলা—দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে জমজমাট পুজো শপিং। ইতিমধ্যে অনেক মানুষ নিজেদের পুজো বোনাস নিয়ে বাজারে এসেছেন। তাই আজ শনিবার ‘হাফ ছুটি’ এবং আগামীকাল পুরো ছুটির দিনে কেনাকাটার জন্য বেরোতে চলেছেন বাঙালির এক বড় অংশ। বিক্রেতাদের মধ্যে আশার আলো দেখা দিয়েছে।

বড়বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সঞ্জয় সাহার সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি বলেন, “বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর থেকেই আমাদের দোকানে পুজোর পরিচিত ছবি ফুটে উঠতে শুরু করেছে। বহু মানুষ আসছেন, জিনিসপত্র দেখছেন এবং কিনছেন। ”তিনি জানান, দুপুরের দিকে ভিড় এতটাই বেড়ে যায়

পুজোর আবেশ উধাও, শুধুই প্রতিবাদ মিছিল: ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪: কলকাতার গড়িয়াহাটের ফুটপাতগুলো এখন ক্রেতাদের ভিড়ে ঠাসা নয়। যেখানে আগে এই সময়ে দোকানে দোকানে বিক্রেতাদের ব্যস্ততা চোখে পড়ত, সেখানে এখন বেশিরভাগ দোকান ফাঁকা পড়ে আছে। বেশ কিছু ফুটপাত প্রায় জনশূন্য, দূর থেকে দাঁড়ালেও তা বোঝা যাচ্ছে। কিছু দোকানে অল্প কয়েকজন ক্রেতা দেখা গেলেও তাদের সংখ্যা খুবই কম। “কম দাম” বলে হাঁক-ডাক করেও বিক্রেতারা বিশেষ লাভ করতে পারছেন না। এক দোকানদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কে বলবে যে তিন সপ্তাহ পর মহালয়া?

error: Content is protected !!