স্বর সম্রাট উৎসবে (SSF) সুরের রাজত্ব, এক মঞ্চে উস্তাদ আমজাদ আলি খান ও পন্ডিত স্বপ্নন চৌধুরী

স্বর সম্রাট উৎসবে সুরের রাজত্ব, এক মঞ্চে উস্তাদ আমজাদ আলি খান ও পন্ডিত স্বপ্নন চৌধুরী ১২ বছরে পা দিল দেশের অন্যতম প্রধান রাগ-সঙ্গীত উৎসব স্বর সম্রাট ফেস্টিভ্যাল। এই সুরের মহোৎসব প্রতি বছরই শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে এক অন্যরকম উত্তেজনার সঞ্চার করে। এবারে ১৪ এবং ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার নজরুল মঞ্চ সাক্ষী থাকবে এক ঐতিহাসিক মূহূর্তের। প্রায় ৪০ বছর পর একই মঞ্চে সরোদ সম্রাট উস্তাদ আমজাদ আলি খান এবং প্রখ্যাত তবলাশিল্পী পন্ডিত স্বপ্নন চৌধুরী তাঁদের শিল্পকর্মে মুগ্ধ করবেন দর্শকদের। এটি নিঃসন্দেহে কলকাতার জন্য এক চিরস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে চলেছে। এবারে উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ উস্তাদ আমজাদ আলি খানকে স্বরসম্রাট জীবনকৃতি সম্মানে ভূষিত করা হবে। তাঁর অসামান্য অবদান রাগ-সঙ্গীতের জগতে নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। তেজেন্দ্র নারায়ণের নিবেদন উৎসবটির প্রধান আয়োজক প্রখ্যাত সরোদশিল্পী পন্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার ও তাঁর পরিবার। শ্রী রঞ্জনী ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এই ফেস্টিভ্যালের নাম রাখা হয়েছে তেজেন্দ্র নারায়ণের গুরু স্বরসম্রাট আলি আকবর খান-এর নামানুসারে। তেজেন্দ্র নারায়ণের মতে, “আলি আকবর খানের মতো মাপের শিল্পী পৃথিবীতে বিরল। তাঁর স্মরণে এই উৎসব আমার গুরুপ্রণাম। এ উৎসব শুধু কিংবদন্তি শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন করে না, নতুন প্রজন্মের প্রতিভাকেও তুলে ধরে। তরুণদের মধ্যে থেকেই আগামী দিনের শিল্পী তৈরি হবে, এই আমার বিশ্বাস।” তারকাসমৃদ্ধ দুই দিনের উৎসব দুই দিনের এই ফেস্টিভ্যালে শোনা যাবে দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের সুরের মূর্ছনা। উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আছেন: পন্ডিত সাজন মিশ্র ও স্বর্ণেশ মিশ্র (কণ্ঠসঙ্গীত) পন্ডিত কুমার বোস (তবলা) পন্ডিত শ্রীনিবাস জোশী ও ভিরাজ জোশী (কণ্ঠসঙ্গীত) মালবিকা সারুক্কাই (ভারতনাট্যম) পন্ডিত দেবাশিস ভট্টাচার্য (গিটার) শুভেন্দ্র রাও (সেতার) এছাড়াও উৎসবের উদ্বোধনী সাংবাদিক সম্মেলন জমে উঠেছিল বিক্রম ঘোষ, তন্ময় বোস, জয় গোস্বামী, অলকানন্দা রায়, শ্রীকান্ত আচার্যের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে। রাগ-সঙ্গীতের উষ্ণতায় শীতের কলকাতা শীতের ঠান্ডা হাওয়া আর তার সঙ্গে সুরের মাদকতা—এ যেন এক অনন্য যুগলবন্দি। স্বর সম্রাট ফেস্টিভ্যাল শুধু এক উৎসব নয়, এটি কলকাতার সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে থাকা এক আবেগ। এবারের উৎসবও সেই আবেগকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে, এমনই আশা করছেন সঙ্গীতপ্রেমীরা।

১২ বছরে পা দিল দেশের অন্যতম প্রধান রাগ-সঙ্গীত উৎসব স্বর সম্রাট ফেস্টিভ্যাল। এই সুরের মহোৎসব প্রতি বছরই শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে এক অন্যরকম উত্তেজনার সঞ্চার করে। এবারে ১৪ এবং ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার নজরুল মঞ্চ সাক্ষী থাকবে এক ঐতিহাসিক মূহূর্তের। প্রায় ৪০ বছর পর একই মঞ্চে সরোদ সম্রাট উস্তাদ আমজাদ আলি খান এবং প্রখ্যাত তবলাশিল্পী পন্ডিত স্বপ্নন চৌধুরী তাঁদের শিল্পকর্মে মুগ্ধ করবেন দর্শকদের। এটি নিঃসন্দেহে কলকাতার জন্য এক চিরস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।

এবারে উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ উস্তাদ আমজাদ আলি খানকে স্বরসম্রাট জীবনকৃতি সম্মানে ভূষিত করা হবে। তাঁর অসামান্য অবদান রাগ-সঙ্গীতের জগতে নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে।

তেজেন্দ্র নারায়ণের নিবেদন

উৎসবটির প্রধান আয়োজক

সুন্দর মণ্ডপ ও তোরণের সাজে সেজে উঠেছে চন্দননগর: অপেক্ষা শুধু জগদ্ধাত্রী পুজোর

সুন্দর মণ্ডপ ও তোরণের সাজে সেজে উঠেছে চন্দননগর: অপেক্ষা শুধু জগদ্ধাত্রী পুজোর

নিজস্ব প্রতিবেদন, চুঁচুড়া: জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হতে আর মাত্র একদিন বাকি। আগামী সাত নভেম্বর থেকে পুজোর উদযাপন শুরু হবে। ইতিমধ্যেই চন্দননগর শহর নতুন রূপে সজ্জিত হয়েছে। বাংলার এক ঐতিহ্যমণ্ডিত উৎসবের শুরু চন্দননগরে জগদ্ধাত্রীর আরাধনা দিয়ে। তবে জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা ঠিক কোথায় হয়েছিল—চন্দননগর না কৃষ্ণনগর—তা নিয়ে আজও বিতর্ক বিরাজমান। সময়ের সাথে সাথে চন্দননগরের বহু পুজো শতাব্দী পেরিয়ে গিয়েছে। কিছু পুজো আছে যেগুলি অর্ধশতাব্দী ধরে পালিত হচ্ছে। এ বছর চন্দননগরের কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির অধীনস্থ পাঁচটি পুজো ৫০ বছরে পদার্পণ করেছে। দুইটি পুজোর বয়স হয়েছে ৭৫ বছর এবং একটি পুজো পালিত হচ্ছে ২৫ বছর ধরে।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির পক্ষ থেকে

বিশ্বজুড়ে হ্যালোইন উদযাপন: ভৌতিক উৎসবের নানা রঙ

বিশ্বজুড়ে হ্যালোইন উদযাপন: ভৌতিক উৎসবের নানা রঙ

হ্যালোইন উৎসব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক ভিন্ন ভিন্ন রূপে উদযাপিত হয়, যা শুধু ভৌতিক নয়, বরং সংস্কৃতির অনন্য মেলবন্ধনের প্রতিফলন ঘটায়। ইউরোপ থেকে আমেরিকা, এশিয়া থেকে আফ্রিকা – প্রতিটি দেশের মানুষ একে নিজের আঙ্গিকে উপভোগ করেন। নিচে উল্লেখ করা হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হ্যালোইন উদযাপনের বৈচিত্র্য।

১. আমেরিকা

আমেরিকায় হ্যালোইন হলো এক বিশেষ উদযাপনের সময়। অক্টোবরের শেষের দিনটি শিশু থেকে বয়স্ক সবাই একসঙ্গে উদযাপন করেন। বাচ্চারা অদ্ভুত অদ্ভুত পোশাক পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে “ট্রিক অর ট্রিট” খেলে ক্যান্ডি সংগ্রহ করে। বড়দের জন্য আয়োজন করা হয় নানা ধরনের কস্টিউম পার্টি এবং আতঙ্কজনক ভৌতিক বাড়ি পরিদর্শন।

২.

জন্মাষ্টমীতে বানান তালের মালপোয়া

জন্মাষ্টমীতে বানান তালের মালপোয়া

ভাদ্র মাসে জন্ম হওয়ার কারণে পাকা তাল কৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয়। জন্মাষ্টমীতে তাই তালের বড়া, তাল ক্ষীর, তালের মালপোয়া, তালের লুচির মতো নানাবিধ সুস্বাদু খাবার সাজিয়ে দেওয়া হয়। আসুন, এবার শিখে নিই তালের মালপোয়ার পাক প্রণালী।

উপকরণ:

পাকা তাল – ১টি (মাঝারি আকারের)

চিনি – ১ কাপ

ময়দা – ১ কাপ

নারকেল গুঁড়ো – ১/২ কাপ

এলাচ – ২-৩টি (গুঁড়ো করে)

দুধ – ১/২ কাপ

তেল – ভাজার জন্য

বাদাম/কাজু – সাজানোর জন্য (ঐচ্ছিক)

প্রণালী:

তাল প্রস্তুতি:

প্রথমে পাকা তালের খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে নিন।

তারপর একটি ব্লেন্ডারে তালের টুকরো, দুধ ও চিনি মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন।

ময়দার

error: Content is protected !!