বৃষ্টির মধ্যে প্রতিবাদ: আরজি কর-কাণ্ডের বিরুদ্ধে নার্স ও প্রাক্তন সেনাকর্মীদের মিছিল

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪: অবিরাম বৃষ্টির মধ্যেও প্রতিবাদের রেশ থেমে থাকেনি। কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে অঝোর ধারায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনুষ্ঠিত হলো প্রতিবাদ মিছিল। ছাতা মাথায় নিয়ে নার্স, অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী এবং শহরের বিভিন্ন স্কুলের প্রাক্তনীরা এগিয়ে এলেন আরজি কর-কাণ্ডের বিরুদ্ধে। মিছিলের সামনের দিকে থাকা অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে চললেন। উদ্যোক্তাদের দাবি, দুর্যোগের আগেই কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃষ্টির কারণে তেমন সাড়া মিলবে না, এমন আশঙ্কা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, বহু মানুষ ছাতা মাথায় নিয়ে মিছিলে শামিল হয়েছেন।
বিভিন্ন প্রাক্তন সেনা আধিকারিকেরা, যাঁরা অবসরপ্রাপ্ত মেজর এবং ব্রিগেডিয়ার, তাঁরা আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার দাবি করে
ঝড়-বৃষ্টির দুর্যোগ এখনই শেষ নয়, ভোগান্তির মুখে কোন কোন জেলা

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে অতিক্রম করছে। কলকাতার নিকটবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে এই নিম্নচাপ, যা আজ রাতেই কলকাতা পেরিয়ে পশ্চিমের জেলাগুলির দিকে অগ্রসর হবে। নিম্নচাপটি পশ্চিমের ঝাড়খণ্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঝাড়খণ্ড ও উত্তর ছত্রিশগড় এলাকায় গিয়ে এটি শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।
নিম্নচাপের কারণে উত্তাল থাকবে উত্তর বঙ্গোপসাগর। বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। রবিবার সকাল পর্যন্ত আবহাওয়া দপ্তর সমুদ্রে মাছ ধরতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলাগুলিতে ৩০-৫০ কিলোমিটার গতিবেগে
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে, হতাশ আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪: নবান্নের পর কালীঘাটে। দু’দিনের ব্যবধানে, পরপর দু’বার মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের বৈঠক করার উদ্যোগ বিফল হল। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর, কিছু আন্দোলনকারী চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের হতাশা স্পষ্ট ছিল। তাঁরা বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য এসেছিলাম, কিন্তু খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।” ৩৫তম দিনেও আন্দোলনের আবহ নাটকীয়তায় মোড়ানো। সকাল থেকেই সল্টলেকে স্বাস্থ্যভবনের সামনে চিকিৎসকদের ধর্ণা চলছিল। সন্ধ্যাবেলা চিকিৎসকদের একটি দল কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বৈঠকে যোগ দিতে গেলে বৈঠক সফল হয়নি। দিনের ঘটনার মূল সমস্যা ছিল বৈঠকের ভিডিওগ্রাফি নিয়ে।
নবান্নে আন্দোলনকারীরা বৈঠকটি লাইভ স্ট্রিমিং করার দাবিতে অনড় ছিলেন। তবে কালীঘাটে, তাঁরা সেই দাবি
নবান্নের দরজায় পৌঁছেও বৈঠক হলো না, চিকিৎসকদের স্পষ্ট বার্তা: প্রয়োজনে আরও ৩৩ দিন রাস্তায় থাকব

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪: স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ফের সাংবাদিক বৈঠক করলেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের দাবি আরও দৃঢ় করে জানান, প্রয়োজনে তাঁরা আরও ৩৩ দিন রাস্তায় পড়ে থাকবেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক না হওয়ায় আন্দোলনকারীদের সুর আরও কঠিন হয়েছে।
প্রতিবাদরত জুনিয়র চিকিৎসকরা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা নবান্ন পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলাম। আমরা কী চেয়েছিলাম?
জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান: দাবি না মানা হলে চলবে আন্দোলন

বিকেল ৫টার পরও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেনি জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থিতি বজায় রেখেছে। দাবি পূরণ না হলে অবিরত এই অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। ইতিমধ্যে, স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য ভবনের সূত্র মারফত জানা গেছে, চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধি দল ভিতরে আসার চেষ্টা করলে তাদের স্বাগতম জানানো হবে। তবে জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, তারা ডেপুটেশন দিতে আসেননি। তাঁদের দাবিগুলি স্পষ্ট;
আড্ডার বদলে প্রতিবাদ: কফি হাউসের টেবিলে জ্বলল মোমবাতি, বাজল প্রতিবাদের সুর

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪: কফি হাউসের নাম বাঙালির আড্ডার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রেমের সূচনা হোক বা বিচ্ছেদের কষ্ট, কফি হাউসের টেবিল সব কিছুর সাক্ষী। তবে এবার এক নতুন উপলক্ষে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটি যুক্ত হলো। আরজি কর কাণ্ডের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল কফি হাউস। টেবিলের প্রতিটি কোণায় জ্বালানো হলো মোমবাতি। শুরু হলো প্রতিবাদের গান। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে এক হয়ে গেলেন সকলে। কফি হাউস ফের প্রমাণ করে দিল, কলকাতা তার পুরনো চেতনা হারায়নি। এই কফি হাউস এখনও রয়ে গেছে মানুষের শক্তি ও প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে।
প্রতিবাদী কফি হাউস
যখন সারা দেশজুড়ে আরজি কর কাণ্ডের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে মানুষ, ঠিক সেই সময় কফি হাউসও
দিনবদলের রবিবার: বিচার চেয়ে তীব্র প্রতিবাদে ফুঁসল রাজ্য

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪: (৯ অগস্ট ২০২৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪)— এই ৩০ দিনের সময়কাল যেন প্রতীক হয়ে উঠেছে আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার জন্য। আর এই ঘটনার বিচার চেয়ে প্রতিবাদ ক্রমশ আছড়ে পড়ছে নতুন নতুন রূপে। শুক্রবারের সেই ভয়ানক ঘটনার পর থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ এখন রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে গিয়েছে। চিকিৎসকদের আন্দোলন, রাস্তার আন্দোলন, আর এখন তা সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।
আরজি কর থেকে সারা রাজ্যে
আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে চিকিৎসকের রক্তমাখা দেহ উদ্ধারের পর থেকেই প্রতিবাদের ঢেউ শহরের অন্যান্য সরকারি হাসপাতাল ও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় আন্দোলন। সেই
আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার জুড়ে উত্তাল হবে কলকাতা

৮ই সেপ্টেম্বর, রবিবারঃ আজ অর্থাৎ রবিবার কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার এক মাস পূর্ণ হচ্ছে। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন অংশে দিনভর প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কেউ ছবি আঁকবেন, কেউ মিছিলে হাঁটবেন, আবার কেউ নীরবতাকে প্রতিবাদের হাতিয়ার করবেন।
১৪ আগস্টের ঘটনার মতোই, রোববারও ‘রাত দখল’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এ বার শুধু কলকাতাই নয়, রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবারের কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে “শাসকের ঘুম ভাঙাতে নতুন গানের ভোর”। রোববার বিকেল ৫টায় টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করেছেন টলিউডের শিল্পী ও কলাকুশলীরা।
যাদবপুর
কফি হাউসের গল্প: টানা ২৬ হাজার দিনের আড্ডা, ‘প্রবীণতম কফিপ্রেমী’ অমর মল্লিকের স্মৃতি রোমন্থন

বয়স ৯২ হলেও প্রাণশক্তিতে ভরপুর, কলকাতার কফি হাউসের অন্যতম পুরোনো মুখ অমর মল্লিক। ছেলে দেবপ্রসাদ, নাতি শাক্য, আর নাতির ছেলে কানহাইয়া—চার প্রজন্ম ধরে চলছে তাঁর পরিবার। কিন্তু অমর মল্লিকের গল্প কেবল পরিবারের নয়, বরং তাঁর দীর্ঘ সময় ধরে কফি হাউসে কাটানো স্মৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে। সম্প্রতি কফি হাউস কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘প্রবীণতম কফিপ্রেমী’ হিসেবে সম্মানিত করেছে।
অমরবাবু গত একাত্তর বছর ধরে কফি হাউসে আসছেন। উত্তর কলকাতার রতু সরকার লেনের ‘মতিলাল শীলের বাড়ি’ থেকে তাঁর যাত্রা এখনও অব্যাহত। যদিও বয়সের ভারে পা এখন একটু ভারী হয়েছে। ‘‘আগে মাত্র দশ মিনিট হাঁটলেই কফি হাউসে পৌঁছে যেতাম। এখন আধ ঘণ্টা লেগে যায়,’’
সাড়ম্বরে গণেশ চতুর্থী: ১৬ ফুটের গণেশ থেকে ৫ কেজির মোদক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: গণেশ চতুর্থীর আগমনের আর মাত্র এক মাস বাকি। তার আগে ভাদ্র মাসের চতুর্থীতে দেব গণেশের আগমন। একসময় শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রসহ কয়েকটি রাজ্যে সাড়ম্বরে উদযাপন করা হতো গণেশ পুজো, কিন্তু এখন বাংলার প্রাঙ্গণেও তা বিশাল আকারে পালন হচ্ছে। গত কয়েক বছরে বাংলার শহর এবং গ্রামে গণেশ পুজোর প্রচলন বেড়েছে। শিলিগুড়ি থেকে মেদিনীপুর—সর্বত্রই এখন গণেশ পুজোর প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। কুমোরটুলি এবং কালীঘাটের পটুয়াপাড়াতেও এখন তৈরি হচ্ছে বড় ছোট নানা আকারের গণেশ প্রতিমা। উত্তর কলকাতার স্বপন পাল এবং দক্ষিণ কলকাতার অরুণ পালের স্টুডিওতে বিশাল মূর্তি তৈরি হচ্ছে, যার উচ্চতা ১২ থেকে ১৬ ফুট। দুর্গাপুজোর ব্যস্ততার মধ্যেও গণেশ