Indian Air Force আরও শক্তিশালী হতে চলেছে। রাফালের পর আবারও ভারতীয় বায়ুসেনা এমন যুদ্ধবিমান পেতে চলেছে, যা শুধু আধুনিক নয়—ক্ষমতার দিক থেকে রাফালকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের মত। নতুন এই ফাইটার জেট ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
কেন নতুন যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত
বায়ুসেনার মতে—
- পুরনো স্কোয়াড্রন বদলে আধুনিক ফাইটার জেট আনা জরুরি।
- ভবিষ্যৎ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া, স্টেলথ ক্ষমতা এবং ভারী অস্ত্র বহনের প্রয়োজন বাড়ছে।
- “ভিশন ২০৪৭” পরিকল্পনায় উন্নত প্রযুক্তির ৫ম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যুক্ত করার কথা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে।
কোন যুদ্ধবিমানকে ‘রাফালের থেকেও ভয়ঙ্কর’ বলা হচ্ছে?
বায়ুসেনা যেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে তার মূল প্রার্থী—৫ম প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার জেট, যেটি–
- রাডারে ধরা পড়ে না বা খুব কম পড়ে
- অতিরিক্ত গতিশক্তি ও ম্যানুভারিং ক্ষমতা রাখে
- দীর্ঘ দূরত্ব থেকে শত্রুকে লক্ষ্যভেদ করতে পারে
- ভারী ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম
স্টেলথ + সুপার ম্যানুভারেবিলিটি + উন্নত সেন্সর ফিউশন—এই তিন মিললে যেকোনো আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এটি রাফালের থেকেও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
কেন এই বিমান শত্রুর ভয় বাড়াবে?
- শত্রু রাডারে প্রায় অদৃশ্য
- দ্রুত গতিতে লক্ষ্য বদলাতে পারে
- আকাশ থেকে আকাশ ও আকাশ থেকে ভূমির উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে
- যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শত্রুপক্ষের কমান্ড সিস্টেম, রাডার ও বেস স্টেশন ধ্বংস করতে পারে
- সীমান্তের কাছে দ্রুত মোতায়েন করা যায়
- প্রতিপক্ষের স্টেলথ বিমানকেও মোকাবিলা করতে সক্ষম
ফলে শত্রুর কৌশল বদলে ফেলতেই হবে—পুরনো যুদ্ধ কৌশল এখানে কার্যকর হবে না।
বায়ুসেনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বায়ুসেনা শুধু এই বিমানই নয়—
- ৪.৫ ও ৫ম প্রজন্মের আধুনিক জেট
- উন্নত ড্রোন ও মানববিহীন যুদ্ধ ব্যবস্থা
- নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক যুদ্ধ প্রযুক্তি
- উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম
—সবই একত্রে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।
লক্ষ্য: ২০৩৫ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৪২ স্কোয়াড্রন এবং ৪৫০+ আধুনিক যুদ্ধবিমান।
রাফালের আগমনে ভারতীয় বায়ুসেনার সক্ষমতা যেভাবে বদলে গিয়েছিল, নতুন এই ‘রাফালের থেকেও শক্তিশালী’ যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও আক্রমণাত্মক, আরও আধুনিক এবং আরও ভয়ংকর হয়ে উঠবে।
শত্রুপক্ষের কাছে স্পষ্ট বার্তা—
ভারতের আকাশসীমায় প্রবেশ মানেই ঝুঁকির মুখে পড়া।






