Hormuz Crisis: হরমুজ বন্ধ হলে ভারতের তেলের ভরসা কি রাশিয়া? ট্রাম্প কী করবেন এখন

Hormuz Crisis: হরমুজ বন্ধ হলে ভারতের তেলের ভরসা কি রাশিয়া? ট্রাম্প কী করবেন এখন

হরমুজ বন্ধ, বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে ধাক্কা

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এই প্রণালী দিয়েই প্রতিদিন বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়।
ফলে এই রুট বন্ধ হওয়া মানেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা।

বিশেষ করে বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে ভারতসহ এশিয়ার একাধিক দেশ।


ভারতের জন্য উদ্বেগ কেন?

ভারতের মোট তেল আমদানির বড় অংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।
আর সেই তেলের বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারত মহাসাগরে পৌঁছায়।

এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
ফলে বাড়তে পারে জ্বালানির দাম, চাপ পড়তে পারে দেশের অর্থনীতিতেও।


ভারতের পাশে রাশিয়া

এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে এক গুরুত্বপূর্ণ খবর।

ভারতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছে মস্কো
প্রয়োজনে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করতেও তারা রাজি।

ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ রুশ তেলবাহী জাহাজ এশিয়ার দিকে পাঠানো হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত-রাশিয়া জ্বালানি বাণিজ্য অনেকটাই বেড়েছে।
এই সংকট সেই সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে পারে।


ভারতের তেলের মজুত কতদিন চলবে?

ভারতের হাতে কৌশলগত এবং বাণিজ্যিক মিলিয়ে কিছুটা তেলের মজুত রয়েছে।
তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ রুট বন্ধ থাকে, তাহলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এই কারণেই বিকল্প সরবরাহের দিকে নজর বাড়াচ্ছে দিল্লি।


ট্রাম্পের সামনে বড় পরীক্ষা

এই পরিস্থিতিতে নজর এখন আমেরিকার দিকে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে হরমুজ অঞ্চলে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন নৌবাহিনী সক্রিয় হতে পারে।

তবে প্রশ্ন একটাই—
এই সংঘাত কতদূর গড়াবে?

আর তার প্রভাব বিশ্ব তেলের বাজারে কতটা পড়বে?


নতুন জ্বালানি সমীকরণ?

বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব জ্বালানি রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

ভারত যদি আরও বেশি রুশ তেল আমদানি শুরু করে, তাহলে আন্তর্জাতিক শক্তির সমীকরণেও তার প্রভাব পড়তে পারে।


হরমুজ প্রণালীর সংকট এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা নয়। এটি বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য রাশিয়া কতটা ভরসা হতে পারে এবং আমেরিকা কী পদক্ষেপ নেয়—সেদিকেই এখন নজর গোটা বিশ্বের।

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
আরও পড়ুন
error: Content is protected !!