কলকাতা: কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে শোকাচ্ছন্ন সিনেমাপাড়া। ‘শোলে’র ঐতিহাসিক প্রদর্শনের সাক্ষী কলকাতার জ্যোতি সিনেমা আজ পরিত্যক্ত ধ্বংসাবশেষ। সেই পর্দাতেই ৭০ মিমি-তে ১০৩ সপ্তাহ ধরে চলেছিল ইতিহাস গড়া ছবি ‘শোলে’। দর্শকদের সিটি, হাততালি, ‘ইয়ে দোস্তি’ গানে উন্মাদনার স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল প্রেক্ষাগৃহ-জগতের প্রবীণদের মনে।
শোলে’র পূর্বভারতীয় ডিস্ট্রিবিউটর দাগা ফিল্মসের সঙ্গে ধরা ছিল ধর্মেন্দ্রর গভীর সম্পর্ক। সিনেমা ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা জানান, বাংলায় ধর্মেন্দ্রর জনপ্রিয়তা ছিল দেশসেরা নায়কদের সমান। কলকাতার একাধিক জুবিলি শো, শুটিং, প্রিমিয়ার—সবেতেই দেখা গিয়েছে তাঁকে। টালিগঞ্জে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা, বাংলার সংস্কৃতির প্রতি তাঁর টান আজও মনে রেখেছেন ইন্ডাস্ট্রির পুরনো মুখরা।

জ্যোতি সিনেমা এখন পার্কিং জোন। ভবিষ্যতে সেখানে উঠতে পারে শপিং মল। আর তার মধ্যেই লুকিয়ে রইল ‘বীরু’র স্বর্ণযুগের স্মৃতি।
সিনেমাপ্রেমীদের প্রশ্ন—
“ধর্মেন্দ্রর মতো নায়ক আর কখনও জন্মাবে?”
ভারতীয় সিনেমায় ‘হি-ম্যান’ নামের প্রকৃত দাবিদার, বন্ধুত্বের অমর প্রতীক ‘বীরু’—সেই স্মৃতি যেন কখনও শূন্যতায় হারিয়ে না যায়।






