নিজস্ব প্রতিবেদন, তেহরান ও তেল আভিভ: শান্তিচুক্তি সই হওয়ার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের রণক্ষেত্র মধ্যপ্রাচ্য। মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির যে ক্ষীণ আশা তৈরি হয়েছিল, তা কার্যত ধূলিসাৎ করে লেবাননে বড়সড় বিমান হানা চালাল ইজরায়েল। এই হামলার প্রতিবাদে এবং ওয়াশিংটন তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে— এই অভিযোগ তুলে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ত জলপথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) ফের বন্ধ করে দিল ইরান।
একনজরে মূল ঘটনা:
- লেবাননে মৃত্যুমিছিল: যুদ্ধবিরতির শর্ত উপেক্ষা করে বুধবার লেবাননে হামলা চালায় ইজরায়েলি ফৌজ। তাতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮২ জন।
- ইরানের কড়া পদক্ষেপ: তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির ১০টি শর্তের মধ্যে ৩টি সরাসরি লঙ্ঘন করেছে। প্রতিক্রিয়ায় তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- শুল্ক আরোপ: সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘উইন্ডওয়ার্ড’-এর দাবি, বুধবার ওই পথে মাত্র ১১টি জাহাজ চলেছে। ইরান এখন প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার করে ‘শুল্ক’ দাবি করছে।
- পাল্টা দাবি ইজরায়েলের: বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দাবি, এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিধিতে লেবানন ছিল না। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দাবি, ইরান এখন সামরিকভাবে আর আমেরিকার কাছে বড় কোনো হুমকি নয়।
The Iran–U.S. Ceasefire terms are clear and explicit: the U.S. must choose—ceasefire or continued war via Israel. It cannot have both.
— Seyed Abbas Araghchi (@araghchi) April 8, 2026
The world sees the massacres in Lebanon. The ball is in the U.S. court, and the world is watching whether it will act on its commitments. pic.twitter.com/2bzVlHFKgi
ইরান সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসা হয়েছিল, ওয়াশিংটন সেই মর্যাদা রাখেনি। ইরানের আকাশসীমায় ড্রোন হানা এবং পারমাণবিক ক্ষমতা নিয়ে আমেরিকার একগুঁয়েমির কারণে চুক্তি এখন খাদের কিনারে।
— محمدباقر قالیباف | MB Ghalibaf (@mb_ghalibaf) April 8, 2026






