ওয়াশিংটন: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ফের বিস্ফোরক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানকে সরাসরি চরম হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। ট্রাম্পের সাফ কথা, “এক রাতেই পুরো ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া সম্ভব।” তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা পার হওয়ার আগেই এই মন্তব্যে নতুন করে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে।
ঠিক কী বলেছেন ট্রাম্প?
সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানান, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসার জন্য যে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছিল, তা শেষ হতে চলেছে। তিনি বলেন, “তারা সাত দিনের সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ করেছিল, আমি তাদের ১০ দিন সময় দিয়েছি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) রাত পর্যন্ত তাদের হাতে সময় আছে। এরপর কী হবে, তা সবাই দেখবে।”
হুঁশিয়ারির সুরে তিনি আরও যোগ করেন, “যদি কোনো সমাধান না আসে, তবে ইরানের কোনো ব্রিজ বা বিদ্যুৎকেন্দ্র অবশিষ্ট থাকবে না। পরিস্থিতি এমন হবে যে দেশটিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এক রাতেই পুরো দেশটাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়। ইরান কার্যত প্রস্তর যুগে ফিরে যাবে।”
#WATCH | Washington, DC: US President Donald Trump says, "… This is a critical period… They asked for an extension of seven days; I gave them 10 days… They have till tomorrow. Now we will see what happens… A lot of people are affected by this. We are giving them until… pic.twitter.com/ly9MDBHjLy
— ANI (@ANI) April 6, 2026
ইরানের পাল্টা হুঙ্কার
ট্রাম্পের এই ‘প্রস্তর যুগ’-এর হুমকির পর চুপ করে নেই ইরানও। সে দেশের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমেরিকার এই ধরণের “অযৌক্তিক এবং আক্রমণাত্মক” ভাষা তাদের দমাতে পারবে না। ইজরায়েল এবং মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে বলেই পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
কেন এই সংঘাত?
মূলত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত ইস্যুতে আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সংঘাত দীর্ঘদিনের। ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষায় তিনি যে কোনো চরম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তাঁর কথায়, “আমরা কোনো আমেরিকানকে পেছনে ফেলে যাব না।”






