নয়াদিল্লি | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রজাতন্ত্র দিবসের চার দিনের বর্ণাঢ্য আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি আজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে দিল্লির বিজয় চকে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী বিটিং রিট্রিট ২০২৬ অনুষ্ঠান। সূর্যাস্তের আবহে রাষ্ট্রপতি ভবন, নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লকের আলোকসজ্জা এবং সামরিক ব্যান্ডের সুর মিলিয়ে তৈরি হবে দেশাত্মবোধের বিশেষ পরিবেশ।
বিটিং রিট্রিট কী?
বিটিং রিট্রিট মূলত একটি সামরিক ঐতিহ্য। ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ব্যান্ডের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক ও সামরিক সুর। রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে পতাকা নামানোর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক পর্দা নামানো হয়।
কেন প্রজাতন্ত্র দিবসের পরে পালিত হয়?
ঐতিহাসিকভাবে ‘বিটিং রিট্রিট’ শব্দটির অর্থ সূর্যাস্তের সময় যুদ্ধবিরতির সংকেত। প্রাচীনকালে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রাম ও বিউগলের মাধ্যমে সেনাদের শিবিরে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হতো। সেই সামরিক প্রথাই সময়ের সঙ্গে আধুনিক অনুষ্ঠানে রূপ নেয়।
ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান ২৬ জানুয়ারি হলেও, তার পরবর্তী কয়েকদিন ধরে চলে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশন। এই পুরো উদযাপনের চূড়ান্ত সমাপ্তি অনুষ্ঠান হিসেবেই ২৯ জানুয়ারি পালিত হয় বিটিং রিট্রিট।
২০২৬ সালের বিশেষ আকর্ষণ
এবছর বিটিং রিট্রিটে থাকছে একাধিক দেশাত্মবোধক ধুন—
- ‘সারে জাহান সে আচ্ছা’
- ‘কদম কদম বড়ায়ে যা’
- ‘বিজয় ভারত’
সূর্যাস্তের সময় বিউগলের সুরে জাতীয় পতাকা নামানোর মুহূর্ত বরাবরের মতোই তৈরি করবে আবেগঘন পরিবেশ। আলো ও সঙ্গীতের সমন্বয়ে বিজয় চক পরিণত হবে এক অনন্য ঐতিহ্যবাহী মঞ্চে।
#WATCH | Beating Retreat ceremony underway at Vijay Chowk in New Delhi
— DD News (@DDNewslive) January 29, 2026
President Droupadi Murmu, Vice President CP Radhakrishnan and PM @narendramodi are also present.@rashtrapatibhvn @MIB_India #BeatingRetreat pic.twitter.com/pVdh3xJGH3
কেন এই অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ?
✔ প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি
✔ সামরিক শৃঙ্খলা ও ঐতিহ্যের প্রতীক
✔ দেশাত্মবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা
✔ ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রদর্শন






