এবার পুজোয় ছেলেদের সাজ: সাবেকি না আধুনিক? কী কী পোশাক রাখতে পারেন সংগ্রহে?

এবার পুজোয় ছেলেদের সাজ: সাবেকি না আধুনিক? কী কী পোশাক রাখতে পারেন সংগ্রহে?

পুজোর সময় মেয়েদের সাজ নিয়ে যতটা আলোচনা হয়, ছেলেদের সাজ নিয়ে ততটা হয় না। বেশিরভাগ ছেলেরাই কিছু টি-শার্ট আর ডেনিম নিয়েই পুজোর জন্য প্রস্তুতি নেয়। বড়জোর পায়জামা-পাঞ্জাবি। কিন্তু পুজোর দিনগুলোতে একটু ভিন্ন সাজ বেছে নিলে আপনার উপস্থিতি আরও নজর কাড়তে পারে। সাবেকি সাজ বলতে শুধু পাঞ্জাবি নয়, তাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র। তাই সঠিক পোশাক নির্বাচন করলে সনাতনী সাজেও নতুনত্ব নিয়ে আসা সম্ভব।

ধোতি প্যান্টস বা আফগানি কুর্তার সঙ্গে স্টাইল

পুজোর সময় ছেলেরা শর্ট আফগানি স্টাইলের কুর্তার সঙ্গে ধোতি প্যান্টস পরতে পারেন। এই পোশাকে সাবেকি ঘরানার পাশাপাশি আধুনিকতার ছোঁয়া থাকবে। এছাড়াও বন্ধগলার সঙ্গে চুড়িদার মানাবে দারুণ। সাধারণ পাঞ্জাবির সঙ্গে খাদি

রাত জেগে যে যে শারীরিক বিপদ ডেকে আনছি আমরা এবং এর থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় কি কি?

রাত জেগে যে যে শারীরিক বিপদ ডেকে আনছি আমরা এবং এর থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় কি কি?

আমাদের ব্যস্ত জীবনে রাত জেগে কাজ করা বা বিনোদনের জন্য জেগে থাকা একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, এই অভ্যাস শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। রাত জেগে থাকার ফলে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে যা আমাদের সামগ্রিক সুস্থতার ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে।

১. ঘুমের অভাবের কারণে ক্লান্তি ও অমনোযোগিতা

রাতে যথাযথ ঘুম না হলে আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীর সঠিকভাবে বিশ্রাম পায় না। এর ফলে সারাদিন ক্লান্তি, অমনোযোগিতা, এবং স্মৃতিশক্তির ঘাটতি দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে, এটি মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও হ্রাস পায়।

২.

আর জি করের বিষাদের ছায়া, সনাতন দিন্দার হাতে গড়ে উঠবে নতুন ‘দুর্গা’

আর জি করের বিষাদের ছায়া, সনাতন দিন্দার হাতে গড়ে উঠবে নতুন ‘দুর্গা’

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪: শিল্পের পথ কখনোই মসৃণ নয়, বিশেষত সেই শিল্পীর জন্য, যিনি জীবনের প্রতিকূলতা থেকে অনুপ্রেরণা পান। আনন্দ বা নিশ্চিন্ত জীবন নয়, বরং শিল্পীর আসল শক্তি লুকিয়ে থাকে তার সৃষ্টির যন্ত্রণায়। সমাজের প্রতিটি ঘটনা শিল্পীকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে, বদলে দেয় তার দৃষ্টিভঙ্গি। ঠিক তেমনই একটি ঘটনার সাক্ষী হয়ে এবার বাংলার শিল্পীরা অনুভব করছেন এক গভীর যন্ত্রণা, যা প্রভাব ফেলছে তাঁদের সৃষ্টিতে।

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনা যেন বদলে দিয়েছে মৃৎশিল্পীদের মন ও সৃষ্টির ধারা। দুর্গাপুজোর আগে যে মুহূর্তটি সাধারণত উল্লাসে ভরে ওঠে, তা এবার বিষণ্ণতায় ডুবে গেছে। দেবী দুর্গাকে মর্তে আহ্বানের আগে বাংলার মাটিতে একজন তরুণীর

পুজোর আবেশ উধাও, শুধুই প্রতিবাদ মিছিল: ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪: কলকাতার গড়িয়াহাটের ফুটপাতগুলো এখন ক্রেতাদের ভিড়ে ঠাসা নয়। যেখানে আগে এই সময়ে দোকানে দোকানে বিক্রেতাদের ব্যস্ততা চোখে পড়ত, সেখানে এখন বেশিরভাগ দোকান ফাঁকা পড়ে আছে। বেশ কিছু ফুটপাত প্রায় জনশূন্য, দূর থেকে দাঁড়ালেও তা বোঝা যাচ্ছে। কিছু দোকানে অল্প কয়েকজন ক্রেতা দেখা গেলেও তাদের সংখ্যা খুবই কম। “কম দাম” বলে হাঁক-ডাক করেও বিক্রেতারা বিশেষ লাভ করতে পারছেন না। এক দোকানদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কে বলবে যে তিন সপ্তাহ পর মহালয়া?

এবার পুজোয় শাস্ত্রের বিধান খন্ডাবে “শাস্ত্রী”

এবার পুজোয় শাস্ত্রের বিধান খন্ডাবে "শাস্ত্রী"

অম্বিকা কুন্ডু, কলকাতা: গণেশ চতুর্থীর এই শুভ দিনে প্রকাশ্যে এলো পথিকৃৎ বসু পরিচালিত “শাস্ত্রী”।
পূজোর বাকি মাত্র ৩০ দিন। অন্যান্য বার এই সময় পুজোর আমেজে মেতে ওঠে কলকাতা। বাঙালি সব থেকে বড় উৎসব বলে কথা। তবে এবার শুধুই প্রতিবাদ আর প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদের মাঝে ও আস্তে চলেছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত শাস্ত্রী। ছবির পোস্টার সামাজিক মাধ্যমে দিয়ে তার ক্যাপশনে লেখা হয় “শাস্ত্রের বিধান, খন্ডাবে শাস্ত্রী।”
দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের ছোট গল্প অবলম্বন থেকে নেওয়া এই গল্পটি। ছবি সংগীত পরিচালনায় রয়েছে ইন্দ্রানী দাশগুপ্ত। এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে দেবশ্রী রায়, রজতাভ দত্ত, মিঠুন চক্রবর্তী, অনির্বাণ চক্রবর্তী ও শাশ্বত চ্যাটার্জিকে। এছাড়াও থাকছেন কাঞ্চন মল্লিক ও

দিনবদলের রবিবার: বিচার চেয়ে তীব্র প্রতিবাদে ফুঁসল রাজ্য

দিনবদলের রবিবার: বিচার চেয়ে তীব্র প্রতিবাদে ফুঁসল রাজ্য

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪: (৯ অগস্ট ২০২৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪)— এই ৩০ দিনের সময়কাল যেন প্রতীক হয়ে উঠেছে আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার জন্য। আর এই ঘটনার বিচার চেয়ে প্রতিবাদ ক্রমশ আছড়ে পড়ছে নতুন নতুন রূপে। শুক্রবারের সেই ভয়ানক ঘটনার পর থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ এখন রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে গিয়েছে। চিকিৎসকদের আন্দোলন, রাস্তার আন্দোলন, আর এখন তা সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।

আরজি কর থেকে সারা রাজ্যে
আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে চিকিৎসকের রক্তমাখা দেহ উদ্ধারের পর থেকেই প্রতিবাদের ঢেউ শহরের অন্যান্য সরকারি হাসপাতাল ও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় আন্দোলন। সেই

আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার জুড়ে উত্তাল হবে কলকাতা

আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার জুড়ে উত্তাল হবে কলকাতা

৮ই সেপ্টেম্বর, রবিবারঃ আজ অর্থাৎ রবিবার কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার এক মাস পূর্ণ হচ্ছে। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন অংশে দিনভর প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কেউ ছবি আঁকবেন, কেউ মিছিলে হাঁটবেন, আবার কেউ নীরবতাকে প্রতিবাদের হাতিয়ার করবেন।

১৪ আগস্টের ঘটনার মতোই, রোববারও ‘রাত দখল’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এ বার শুধু কলকাতাই নয়, রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবারের কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে “শাসকের ঘুম ভাঙাতে নতুন গানের ভোর”। রোববার বিকেল ৫টায় টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করেছেন টলিউডের শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

যাদবপুর

কফি হাউসের গল্প: টানা ২৬ হাজার দিনের আড্ডা, ‘প্রবীণতম কফিপ্রেমী’ অমর মল্লিকের স্মৃতি রোমন্থন

কফি হাউসের গল্প: টানা ২৬ হাজার দিনের আড্ডা, ‘প্রবীণতম কফিপ্রেমী’ অমর মল্লিকের স্মৃতি রোমন্থন

বয়স ৯২ হলেও প্রাণশক্তিতে ভরপুর, কলকাতার কফি হাউসের অন্যতম পুরোনো মুখ অমর মল্লিক। ছেলে দেবপ্রসাদ, নাতি শাক্য, আর নাতির ছেলে কানহাইয়া—চার প্রজন্ম ধরে চলছে তাঁর পরিবার। কিন্তু অমর মল্লিকের গল্প কেবল পরিবারের নয়, বরং তাঁর দীর্ঘ সময় ধরে কফি হাউসে কাটানো স্মৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে। সম্প্রতি কফি হাউস কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘প্রবীণতম কফিপ্রেমী’ হিসেবে সম্মানিত করেছে।

অমরবাবু গত একাত্তর বছর ধরে কফি হাউসে আসছেন। উত্তর কলকাতার রতু সরকার লেনের ‘মতিলাল শীলের বাড়ি’ থেকে তাঁর যাত্রা এখনও অব্যাহত। যদিও বয়সের ভারে পা এখন একটু ভারী হয়েছে। ‘‘আগে মাত্র দশ মিনিট হাঁটলেই কফি হাউসে পৌঁছে যেতাম। এখন আধ ঘণ্টা লেগে যায়,’’

সাড়ম্বরে গণেশ চতুর্থী: ১৬ ফুটের গণেশ থেকে ৫ কেজির মোদক

সাড়ম্বরে গণেশ চতুর্থী: ১৬ ফুটের গণেশ থেকে ৫ কেজির মোদক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: গণেশ চতুর্থীর আগমনের আর মাত্র এক মাস বাকি। তার আগে ভাদ্র মাসের চতুর্থীতে দেব গণেশের আগমন। একসময় শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রসহ কয়েকটি রাজ্যে সাড়ম্বরে উদযাপন করা হতো গণেশ পুজো, কিন্তু এখন বাংলার প্রাঙ্গণেও তা বিশাল আকারে পালন হচ্ছে। গত কয়েক বছরে বাংলার শহর এবং গ্রামে গণেশ পুজোর প্রচলন বেড়েছে। শিলিগুড়ি থেকে মেদিনীপুর—সর্বত্রই এখন গণেশ পুজোর প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। কুমোরটুলি এবং কালীঘাটের পটুয়াপাড়াতেও এখন তৈরি হচ্ছে বড় ছোট নানা আকারের গণেশ প্রতিমা। উত্তর কলকাতার স্বপন পাল এবং দক্ষিণ কলকাতার অরুণ পালের স্টুডিওতে বিশাল মূর্তি তৈরি হচ্ছে, যার উচ্চতা ১২ থেকে ১৬ ফুট। দুর্গাপুজোর ব্যস্ততার মধ্যেও গণেশ

error: Content is protected !!