শ্রদ্ধা ও স্মরণে “মহানায়ক”

শ্রদ্ধা ও স্মরণে "মহানায়ক"

কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে

নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে নিশিদিন খেলা করে……

বাঙালীর স্বপ্নের নায়ক উত্তমকুমারের প্রয়াণ দিবসে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই 🙏

উত্তমকুমার, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর অনুপস্থিতি এখনও বাঙালি সিনেমা প্রেমীদের হৃদয়ে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করে রেখেছে। ১৯৮০ সালের ২৪শে জুলাই, আমাদের সকলের প্রিয় মহানায়ক চলে গেলেন, কিন্তু তাঁর স্মৃতি আজও অমলিন।

উত্তম কুমার এমন একজন অভিনেতা ছিলেন যিনি শুধুমাত্র টলিউড অবধিই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, বলিউডেও কাজ করেছিলেন বাংলার ‘মহানায়ক’। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আশানুরূপ সাফল্য না পেলেও প্রশংসিত হয়েছিল তাঁর অভিনয়। বলিউডের বহু নামকরা তারকা ‘মহানায়ক’র ভক্ত ছিলেন বলে শোনা যায়। আজও উত্তম কুমারের মতো জনপ্রিয়তা দ্বিতীয় কোনও টলিউড অভিনেতা পায়নি।

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এই কিংবদন্তি অভিনেতার শেষ ছবি হল ‘ওগো বধূ সুন্দরী’। ১৯৮০ সালে এই ছবির শ্যুটিংয়ের সময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হন উত্তম কুমার। পরে অভিনেতাকে শহর কলকাতার একটি নামী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মাত্র ৫৩ বছর বয়সে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোকের উদ্দেশে গমন করেছিলেন বাংলার ‘মহানায়ক’। সেই সঙ্গেই ইতি পড়েছিল বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এক সুবর্ণ অধ্যায়ে।

মহানায়ক উত্তমকুমার ছিলেন আমাদের স্বপ্নের নায়ক, যিনি প্রতিটি চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতেন। মহানায়কের অভিনয়ে ছিল এক অপার্থিব মাধুর্য, যা আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যেত। তাঁর অনুপস্থিতি বাঙালি সিনেমা প্রেমীদের জন্য এক অমোচনীয় বেদনা। মহানায়কের স্মৃতির প্রতি রইলো আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তিনি ছিলেন এবং চিরকাল থাকবেন আপামর বাঙালীর হৃদয়ের মহানায়ক হয়ে।”

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
আরও পড়ুন
error: Content is protected !!