ঠাকুরের অপূর্ব লীলা

ঠাকুরের অপূর্ব লীলা

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব

*একদিন ঠাকুরের খুব ইচ্ছা হলো চালকুমড়োর তরকারি খাবেন।

সেদিন তন্নতন্ন করে খুঁজে কোথাও চালকুমড়ো পাওয়া গেল না । অনেক খোঁজাখুজি হল—– অবশেষে এক গৃহস্থের বাড়ির ছাদে ঐ বস্তুটির দর্শন পাওয়া গেল।

গৃহস্থকে তারা অনুনয় করে বললেন “আমরা দক্ষিণেশ্বর থেকে আসছি , আমাদের ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব চালকুমড়ো খেতে চেয়েছেন, কিন্ত বাজারে কোথাও পেলাম না। আপনার বাড়ির ছাদে দেখলাম একটি আছে, যদি দয়া করে ওটি বিক্রী করেন—-
গৃহস্থ বললেন , না না। ওটি আমার গৃহদেবতার জন্য কুটো বেঁধে রাখা আছে , আমি দিতে পারব না।

অগত্যা ওরা ফিরে এলেন এবং ঠাকুরকে সব বলতে না বলতেই বারান্দায় একটি “ধূপ” করে শব্দ হল।
ঘর থেকে বাইরে এসে সবাই দেখেন, একটা হনুমান দরজার ঠিক সামনে একটা চালকুমড়ো নামিয়ে রেখে আস্তে আস্তে চলে গেল ।।
দেখে ঠাকুরের খুব আনন্দ হলো।
বললেন “দ্যাখ দ্যাখ ,, স্বয়ং মহাবীরজী মাথায় করে ওটা পৌঁছে দিলেন —-“
স্তম্ভিত ভক্তগণ নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না !!
ভাবছেন —-ইনিই কি সেই ত্রেতা যুগের পুরুষোত্তম শ্রীরামচন্দ্র। ঈশ্বরের লীলা কে বুঝতে পারে ?*

“কে তোমারে জানতে পারে, তুমি না জানালে পরে।”

🌺জয় ঠাকুর🌺

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
আরও পড়ুন
error: Content is protected !!